কুরবানীর গোশত সংগ্রহের পর বিক্রির হুকুম

প্রশ্ন: ঈদের দিন কুরবানীর গোশত সংগ্রহের জন্য দরিদ্র লোকেরা এসে থাকে। আমরা তাদের খাওয়ার জন্য গোশত দেই। কিন্তু অনেকেই তা না খেয়ে বিক্রি করে ফেলে। এই বেচাকেনা কি বৈধ?

উত্তর: কুরবানীর গোশত সংগ্রহ করার পর তা বিক্রি করা বৈধ হবে। কেউ যদি তা ক্রয় করে তাতেও সমস্যা নেই।

সূত্র: ফাতাওয়ায়ে শামী ৬/৩২৮

উত্তর লিখেছেন: উমর ফারূক তাসলিম (ফিকহে হানাফী অনুসারে)

এই দূর্বল লেখক বলছে, আর্থিক সংকট না থাকলে কুরবানীর গোশত বিক্রয় না করাই ভাল। কারণ গোশত দান করার উদ্দেশ্য হলো, অসহায় দরিদ্রদের জন্য উন্নত খাবারের ব্যবস্থা করা, যা সচরাচর তাদের পক্ষে ব্যবস্থা করা কঠিন। 

জাবির রা. বলেন,
 ساق رسول الله صلى الله عليه وسلم مائة بدنة ، فنحر منها رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاثا وستين بيده ، ونحر علي ما بقي ، ثم أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم أن تؤخذ بضعة من كل بدنة فتجعل في قدر فأكلا من لحمها وحسيا من مرقها 
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ১০০ টি পশু নিয়ে আসলেন। সেখান থেকে তিনি স্বহস্তে ৬৩ টি জবাই করলেন এবং অবশিষ্টগুলো আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু জবাই করলেন। অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক পশু থেকে এক টুকরা গোশত সংগ্রহের আদেশ দেন। সেগুলোকে রান্না করা হয়। তারপর সেখান থেকে রাসূল সা. ও আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু গোশত এবং ঝোল খান। (আত তামহিদ ২/১০৭)

একশো পশুর প্রতিটি থেকে কুরবানীর গোশত সংগ্রহ করা ইঙ্গিত করে যে, কুরবানীর গোশত বরকতপূর্ণ। সুতরাং তা খাওয়া উচিত। অবশ্য রুচিতে না হলে ভিন্ন কথা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *